নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ প্রয়োগ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বুস্টার ডোজ প্রয়োগে প্রবাসীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ প্রয়োগ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বুস্টার ডোজ প্রয়োগে প্রবাসীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

রোববার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) ভবনে ভ্যাকসিনেত বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের অগ্রধিকারভিত্তিতে বুস্টার ডোজ দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছিলাম। এরপর থেকে যারা বিদেশে যাচ্ছেন, তাদের ওই দেশের চাহিদা অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, কিছু কিছু দেশ বলেছে— শুধু সিনোফার্ম হলে হবে না। তারা বলেও দিয়েছে কোন কোন ভ্যাকসিন দিতে হবে। আমরা সেগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে তাদের দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ ভ্যাকসিন মজুত আছে। সুতরাং আমাদের কোনো ভয় নেই।

ভারত থেকে সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন দেশে আনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের কোনো দিনও বলেনি যে তারা ভ্যাকসিন দেবে না। এখন তাদের করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে। তারা প্রায়ই বলে, আমরা চাইলে যেকোনো মুহূর্তে ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।

এদিন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে প্রথম বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়। এরপর সরকারে ছয় মন্ত্রী নেন ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ। তাদের মধ্যে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর কোনো সমস্যা হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা শুনেছি এই ভ্যাকসিন খুব ভালো। এটি করোনার যেকোনো নতুন ভ্যারিয়েন্ট রোধের ক্ষেত্রে ৮৫ শতাংশ কার্যকর এবং ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও যথেষ্ট কার্যকর। যেহেতু আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ টিকা মজুত আছে, তাই আমরা বুস্টার ডোজ দিতে শুরু করলাম। যারা সম্মুখযোদ্ধা, তারা আগে আগেই এই ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ পাবেন।

এদিন মোট ৬০ জনকে ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ প্রয়োগ করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও বুস্টার ডোজ নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, প্রথম দিকে বয়স্ক ও ফ্রন্টলাইনাররা বুস্টার ডোজে অগ্রাধিকার পাবেন। পর্যায়ক্রমে ভ্যাকসিনগ্রহীতার সংখ্যা বাড়বে এবং সাধারণ মানুষকেও বুস্টার ডোজের আওতায় আনা হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *