বুধবার, ২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ভোটারপ্রতি ব্যয় ১০টাকা, প্রার্থীর সর্বোচ্চ খরচ ২৫ লাখ

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা ব্যয় করতে পারবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর একটি সংসদীয় আসনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার বেশি খরচ করতে পারবে না। এছাড়া একটি দল থেকে ৩০০ প্রার্থী মনোনয়ন দিলে সবগুলো আসনে সর্বোচ্চ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারবে বলে ইসির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

ইসির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘যেহেতু গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪৪খ এর দফা (৩) এর অধীন মনোনয়নদানকারী রাজনৈতিক দল হইতে গৃহীত খরচসহ কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনি খরচ ২৫ (পঁচিশ) লাখ টাকার অধিক হইবে না। আর এই নির্বাচনি ব্যয় ভোটার প্রতি হারে নির্ধারিত হওয়ার বিধান রয়েছে, তাই বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় ভোটারপ্রতি নির্বাচনি ব্যয় ১০/-(দশ) টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে ভোটার সংখ্যা যাই হোক, কোনো নির্বাচনি এলাকার প্রার্থীর সর্বোচ্চ ২৫ (পঁচিশ) লাখ টাকার বেশি ব্যয় করা যাবে না।’

এদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, যে দল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেবে, সে দল সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবে। ১০০ প্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ দেড় কোটি টাকা করা যাবে। ২০০ প্রার্থীর জন্য তিন কোটি টাকা এবং ২০০ বেশি প্রার্থী দিলে সংশ্লিষ্ট দল সর্বোচ্চ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারবে।

জানা গেছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৪৪ সিসিসি-বিধি অনুযায়ী, ভোটের ফলাফল গেজেটে আকারে প্রকাশের পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। এটা অমান্য করলে ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয় ২৫ লাখ টাকা এবং ভোটার প্রতি ব্যয় ১০ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে ভোটার প্রতি ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮ টাকা। তবে সর্বোচ্চ ব্যয় তখনও ছিল ২৫ লাখ টাকা। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনের সময় প্রার্থীর ভোটার প্রতি গড় ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ টাকা। আর সর্বোচ্চ ব্যয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল ১৫ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত ১৫ নভেম্বর ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর, নির্বাচনি প্রচারণা প্রতীক বরাদ্দের দিন থেকে শুরু করে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

All Rights Reserved ©2024