সোমবার, ১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

মাত্র ৯ ওভারেই ওয়ানডে ম্যাচ জিতলেন তামিমরা

৫০ ওভারের ফরম্যাটে চলছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচ। অথচ রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব ও শাইনপুকুর ক্লাবের ম্যাচটি মাত্র ৯ ওভারেই শেষ হয়ে গেল। এদিন মূলত রূপগঞ্জ ব্যাটারদের ব্যর্থতা আর শাইনপুকুর বোলারদের তোপে ম্যাচের ফল প্রথম ইনিংসেই অনেকটা নির্ধারিত হয়ে যায়। রূপগঞ্জ মাত্র ১১০ রানেই গুটিয়ে যায়, যা ঝড়ের গতিতে মাত্র ৯ ওভারে পেরিয়ে যায় তানজিদ তামিমদের শাইনপুকুর।

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের সিরিজের জন্য মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম এতদিন ব্যস্ত ছিল। সেই সিরিজ শেষ হওয়ায় আজ (শুক্রবার) থেকে ডিপিএলও গড়াল দেশের হোম অব ক্রিকেটখ্যাত এই ভেন্যুতে। যেখানে আগে ব্যাট করে রূপগঞ্জ খেলেছে ৩৯.৪ ওভার। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ২০ রান করেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। এছাড়া ফরহাদ হোসেন ১৯ এবং আসাদুল্লাহ আল গালিব ১৭ রান করেন।

 

প্রতিপক্ষের এমন ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে দাপট দেখিয়েছেন শাইনপুকুরের স্পিনাররা। তাদের চার স্পিনার মিলে ৯টি উইকেট শিকার করেন। হাসান মুরাদ ২১ রানে সবোচ্চ চার উইকেট নিয়েছেন, এ নিয়ে এক ম্যাচ পরই দ্বিতীয়বার চার উইকেট নিলেন এই বাঁ-হাতি স্পিনার। এছাড়া আরেক অভিজ্ঞ বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত সানি ৯ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন। স্পিনার এসএম মেহেরব হাসান দুটি এবং লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনও পেয়েছেন এক উইকেট।রূপগঞ্জের ছোট এই লক্ষ্য তাড়ায় যেন দ্রুতই ম্যাচটি শেষ করার মিশনে নেমেছেন তানজিদ তামিম ও জিসান আলম। দুজনেই দ্রুতগতিতে রান তোলার জন্য পরিচিত মুখ। তামিম ইতোমধ্যে জাতীয় দলে খেলছেন, আরেকজনের ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখা গিয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে। শাইনপুকুরের এই দুই ওপেনার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন। ফলে তাদের জয়টাও নিশ্চিত হয়ে যায় মাত্র ৯ ওভারে। ছয় ছক্কায় ২৮ বলে ৫৮ রান করে অপরাজিত থাকেন জিসান, তিন ছক্কায় ২৮ বলে অপরাজিত ৪৮ করেন তানজিদ। দুই ব্যাটারের ঝোড়ো তাণ্ডবে রীতিমতো অসহায় ছিলেন রূপগঞ্জের বোলাররা। অভিজ্ঞ সোহাগ গাজী, রোহানাত দৌলা বর্ষণ ও কাজী অনিক ইসলামরা সেই ঝড়ে কোনো ব্যাঘাত ঘটাতে পারেননি। ফলে ১০ উইকেট এবং ৪১ ওভার হাতে রেখেই রূপগঞ্জকে উড়িয়ে দিয়েছে শাইনপুকুর।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

All Rights Reserved ©2024