সোমবার, ১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

দেশে সিগারেটের ৮০ শতাংশই নিম্নস্তরের সিগারেটের ভোক্তা। তামাকজাত পণ্যের দাম বাড়িয়ে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে গেলে দেশে ধূমপায়ীর সংখ্যা কমবে ও রাজস্ব বাড়বে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, সব ধরনের সিগারেটের দাম (প্রতি ১০ শলাকা) যদি ১০ টাকা বাড়ানো হয়, তাহলে এই খাত থেকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব।

নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম অন্যান্য নিত্যপণ্যের তুলনায় অনেক কম। যেখানে প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্য ১৫ শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতি রয়েছে, সেখানে নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্যস্ফীতি ৪-৫ শতাংশ। অন্যান্য পণ্যের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তুলনা করলে আসলে সিগারেটের দাম কমেছে বলে ধরে নেওয়া যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে দেশে ধূমপায়ীর প্রায় ৮০ শতাংশই নিম্নস্তরের সিগারেটের ভোক্তা এবং এরা সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ। আর নিম্ন ও মধ্যম স্তর মিলিয়ে সিগারেটের বাজার ৯০ শতাংশ। দেশের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয়ের উৎস সিগারেট।

বিশ্বব্যাংকের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কর- জিডিপি অনুপাত ১৬-১৭ শতাংশ হওয়া জরুরি। তবে বৈশ্বিক গবেষণা সংস্থা সিইআইসির তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে এই অনুপাত মাত্র ৭.৯ শতাংশ, যেখানে শ্রীলঙ্কার অনুপাত ১০.৬।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা মনে করেন, দাম বাড়লে ধূমপায়ীর সংখ্যা কমে আসবে। কারণ নিম্নস্তরের সিগারেটের ৮০ শতাংশ ভোক্তাই নিম্ন আয়ের মানুষ। তাই দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধূমপায়ীর সংখ্যাও কমে আসবে। ফলে অর্থনীতির মন্দার ভেতরেও রাজস্ব প্রবাহ বাড়বে।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  

All Rights Reserved ©2024