বুধবার, ২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সিলেট জেলার শ্রেষ্ট জয়িতার সম্মাননা পেলেন সাংবাদিক সুবর্ণাসহ ৫নারী

সিলেট ডেস্কঃ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলায় ৫ জন নারীকে শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা দেওয়া হয়। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

লেখনীর মাধ্যমে সমাজ উন্নয়নে বেশি ভূমিকা রাখায় সিলেট জেলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা সম্মাননা পেয়েছেন সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি এবং চ্যানেল আই ও জাতীয় দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিক সুবর্ণা হামিদ। তিনিসহ পাঁচজন পাঁচটি ক্যাটাগরিতে এই সম্মাননা পান। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দিকী।

জয়িতা সম্মাননা প্রাপ্ত নারীরা হলেন, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী শিপারা বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী সাংবাদিক সুবর্ণা হামিদ, শিক্ষা ও চাকুরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী আদরী রানী দাস, সফল জননী সিনারা বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমী নারী ফারহানা আক্তার ঝুমি।

লেখনীর মাধ্যমে সমাজ উন্নয়নে বেশি ভূমিকা রেখে এই সম্মাননা পান সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি এবং চ্যানেল আই ও জাতীয় দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিক সুবর্ণা হামিদ। সুবর্ণা হামিদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা সিলেটে। পেশাগত দায়িত্বের জায়গা থেকে তিনি লেখনীর মাধ্যমে এমন কিছু কাজ করেছেন, যা সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। বাল্য বিবাহ নিরোধ, যৌতুক প্রথা নির্মূল, বিবাহ বিচ্ছেদ বন্ধের পাশাপাশি নারী সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, সমাজে চরমভাবে অবহেলিত, নানা ধরনের নিপীড়নের শিকার ও পিছিয়ে থাকা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের নিয়ে তিনি নিয়মিত সংবাদ করেন। তার এই সংবাদগুলো দেখে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সহযোগিতা পেয়েছেন সমাজের অবহেলিত মানুষ। শিক্ষা ও চাকুরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী আদরী রানী দাস প্রতিকূলে পরিবেশে থেকেও নিজে উচ্চ শিক্ষিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত আছেন।

সম্মাননা প্রাপ্ত সাংবাদিক সুবর্ণা হামিদ বলেন, আমি মনে করি সমাজ উন্নয়নে কাজ করতে হলে নিজের সদিচ্ছা প্রয়োজন। তাহলে যেকেউ যার যার পেশাগত জায়গা থেকে সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন। আমি চেষ্টা করেছি সংবাদ প্রকাশ করে মানুষজনকে সাহায্য করতে। বিভিন্ন সময় আমার সেই চেষ্টায় সফলতা পেয়েছি। আমার নিউজ পড়ে অনেকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সমাজে চরমভাবে অবহেলিত, নানাধরনের নিপীড়নের শিকার মানুষদের। এটাই আমার বড় প্রাপ্তি।

অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী শিপারা বেগম বলেন, আমাদের সমাজে নারীদের এগুতে হলে অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জন করা জরুরি। আমার এই অর্থনৈতিক সাফল্যের পিছনে অনেক সুখ দুঃখের স্মৃতি আছে। অনেক বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধানসিঁড়ি লেডিস টেইলার্স প্রতিষ্ঠিত করেছি। আজকে আমি আমার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অন্য নারীদের স্বাবলম্বী করেছি।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১

All Rights Reserved ©2024