শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

ট্রাম্পে হতাশ আওয়ামী লীগ

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জানানো শুভেচ্ছা বার্তার মর্মবাণীতে পুলকিত হয়ে উঠলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর বেলায় সম্পূর্ণ হতাশ ও বিশাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছে সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এর পাশাপাশি ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-এর ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ মার্কিন ফেডারেল সংস্থার খবরেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। তবে এসব খবরই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হতাশ, ব্যাথিত ও আশাহত করলেও এর বিপরীতে বিএনপি’তে খুব একটা প্রশান্তি নেই। তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অন্যরকম শঙ্কা। এসব বিশ্লেষণই উঠে এসেছে রাজনৈতিক মাঠে রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকদের সাথে একান্তে আলাপচারিতায়।

ট্রাম্প ক্ষমতায় এলেই সদ্য পতিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য সুবাতাস বইতে এমন বিশ্বাস ও আস্থা ছিল তাদের মধ্যে। তারা ধরেই নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা এলেই সব কিছুই ম্যাজিকের মতো কাজ করবে। কিন্ত বর্তমানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সে-ই বিশ্বাস ও আস্থায় মারাত্মকভাবে চির ধরেছে।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জনগণকে পৃথক পৃথকভাবে শুভেচ্ছা বার্তা জানানো হয়েছিল। এখন দেখা যাক বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসে কে কি বার্তা দিয়েছিল-

মোদির বার্তা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা দিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২৬ মার্চ বুধবার ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পাঠানো পৃথক বার্তায় ভারত একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের প্রতি সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পাঠানো বার্তায় বলা হয় যে, ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ ও ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি, সাগর ডকট্রিন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক দৃষ্টিভঙ্গির কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশ। একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে ভারত। প্রধান উপদেষ্টাকে লেখা চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আজকের দিনটি আমাদের অভিন্ন ইতিহাস ও ত্যাগের স্মারক, যার মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের ভিত রচিত হয়েছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পথনির্দেশক। সে সম্পর্ক বহুবিধ ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়ে দুই দেশের জনগণের জন্য দৃশ্যমান উপকার বয়ে এনেছে।

ট্রাম্পের বার্তা

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (মার্চ ২৭) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়। এতে বলা হয় ওই শুভেচ্ছাবার্তায় ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে (ড. ইউনূস) ও বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এই রূপান্তরের সময় বাংলাদেশের জনগণের জন্য গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির সক্ষমতা গড়ে তোলার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আগামীতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমরা দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে পারব এবং একইসঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে পারব। পাশাপাশি, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা বৃদ্ধিতেও একসঙ্গে কাজ করতে পারব।

এসব বার্তার বিশ্লেষণ কি বলে

রাজনৈতিক ও কূটনীতিকদের বিশ্লেষণে এমন বার্তায় অনেক কিছুর আভাস দেয়। ভারতের তরফ থেকে যে দেয়া বার্তায় স্পস্ট যে, দেশটি বাংলাদেশে একটি অর্ন্তভুক্তিমূলক বা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। ভারতের বার্তায় তেমনটাই আভাস মিলে। কেননা এতে বলা হয়েছে একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের কথা। এমন বার্তায় ভারতে ওইরকম আগ্রহই ফুটে উঠেছে দেশটির পক্ষ থেকে দেয়া বার্তায়। কেননা ওই বার্তায় বলা হচ্ছে ভারত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল,অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চায়। বার্তায় তেমন ইচ্ছারই জানান দিচ্ছে ওই বার্তায়। আর একথাও ঠিক যে, ভারতের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাওয়ার অর্থই হচ্ছে বাংলাদেশে সদ্য পতিত আওয়ামী লীগকে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের সুযোগ করে দেয়ার একধরনের প্রচ্ছন্ন ইচ্ছা। যদিও দীর্ঘ ১৭টি বছর বাংলাদেশের জনগণ, রাজনৈতিক দল রাজপথে মাথা ঠুকে ঠুকেও দেশে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চেয়েছিল। কিন্তু ভারত এব্যাপারে এক বিন্দু সায় দেয়নি, নিজেদের গণতান্ত্রিক দেশ বলে দাবি করলেও বাংলাদেশে স্বৈরাচারকে মদদ দিয়েছে। এক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশের জনগণকে নয় আওয়ামী লীগ ও তার সভাপতি শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদেরই অকুন্ঠ সমর্থন দিয়ে গণতন্ত্রকামি মানুষকে অপমান করেছে। আর সে-ই ভারত এখন বাংলাদেশে একটি অর্ন্তভুক্তিমূলক বা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চেয়ে বার্তা দিচ্ছে যা বাংলাদেশের জনগণের কাছে হাস্যকর হয়ে ঠেকছে বা কারো কারো অভিমত। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে দেয়া এমন বার্তা পেয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঠে ময়দানে বেশ পুলকিত হয়ে উঠে। তাদের মধ্যে বদ্ধমূল আওয়ামী লীগকে ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানোর ব্যাপারে ভারত ভূমিকা রাখবে।

ট্রাম্প হতাশ করে দিলো

তবে এর পরই বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে বার্তা দিয়েছেন তার ভাষা অনেক দায়িত্বশীল এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রমনা জনগণের পক্ষে যায়। আবার শুধু রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের জনগণই নয় আলাদাভাবে ড. ইউনূস’কে সম্মান জানিয়ে বার্তাটি দেয়ার বিষয়টি-ও রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেক ইঙ্গিতবহ। শুভেচ্ছাবার্তায় দেখা যায় ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকার জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে (ড. ইউনূস) ও বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এর পাশাাপাশি বলা হয়েছে যে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র। যা একটি দেশের প্রতি বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশটির পক্ষ থেকে শক্তিশালি অবস্থান নেয়ার কূটনীতিক ভাষা। কেননা ট্রাম্প এরপরপরই বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমরা দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে পারব এবং একইসঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে পারব। পাশাপাশি, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা বৃদ্ধিতেও একসঙ্গে কাজ করতে পারব।’ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন, ট্রাম্পের এমন বার্তায় বলা যায় আওয়ামী লীগের জন্য মারাত্মক নেতিবাচক। তাদের মধ্যে এটাই এখন বদ্ধমূল যে, ড. ইউনূস এখন আমেরিকার একচ্ছত্র ক্ষমতা বা বলা চলে নেক নজরে চলে গেছে। এখানে আর প্রতিবেশী ভারতের কোনো ধরনের অনুরোধ, আবদার বা কূটনৈতিক তৎপরতা কাজে আসবে না। অথচ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভাবতো ট্রাম্প এলে মোদী’র পোয়াবারো আর সেক্ষেত্রে আওয়ামী মহা বিজয় হয়ে যাবেই।

আরেক ধাক্কা

এদিকে ড. ইউনূসের ব্যাপারে ট্রাম্পের এমন অবস্থানের পর ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র-এর ওপর মার্কিন ফেডারেল সংস্থার নিষেধাজ্ঞার সুপারিশের খবরেও হতাশ হয়ে আওয়ামী লীগের অতি আশাবাদিরা। গণমাধ্যমের খবরে বলা হযেছে যে, শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতের বৈদেশিক গুপ্তচর সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের (র) ওপর সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থা কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (ইউএসসিআইআরএফ)। সংস্থাটির ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে। প্রতিবেদনের আরও বলা হয়, ভারতে সংখ্যালঘুরা দিন দিন অমানবিক আচরণের শিকার হচ্ছে। যদিও বিষয়টির দীর্ঘদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু এশিয়া ও অন্যান্য অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘদিন ধরে নয়াদিল্লিকে আমেরিকা সহায়ক শক্তি হিসেবে দেখে আসার কারণে ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বরাবরই এড়িয়ে গেছে। তবে এটা ঠিক ইউএসসিআইআরএফ নামের সংস্থার সুপারিশ বাধ্যতামূলক না হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন খবর ভারতের জন্য খুবই বিব্রতকর ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে আপত্তিজনক। আর এর চেয়ে বেশি বিব্রতকর হচ্ছে সদ্য পতিত আওয়ামী লীগের শুভানুদ্যায়ীদের।

বিএনপি শঙ্কামুক্ত নয় 

তবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতি আমেরিকার এমন আস্থায় আওয়ামী লীগের হতাশার মধ্যে বিএনপি’র পুলকিত হওয়ারও কিছু নেই বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। কারো কারো মতে, ট্রাম্পের বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস’কে এখন থেকে কোনো পক্ষই দুর্বল না ভাবার বিষয়টি মূলত রাজনৈতিক অঙ্গনে চলে এসেছে। যা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা ভারতের কূটনৈতিক বেড়াজল ডিঙ্গিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন যেতে পারবে কি-না তা নিয়ে বাজারে অনেক নেতিবাচক খবর ছিল। কিন্তু এসব তোয়াক্কা না করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঠিকই চীনে গিয়েছেন। এবং সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ফলপ্রসূ ও গঠনমূলক হয়েছে, বলা চলে অত্যন্ত সফলভাবে তা সম্পন্ন হয়েছে। কেননা বাংলাদেশের জন্য চীন সরকার ও সে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ২১০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি নিয়ে এনেছে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুস। আবার প্রায় ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করবে বলে জানানো হয়েছে। মোংলা বন্দর আধুনিকীকরণ প্রকল্প এবং প্রযুক্তি খাতে সহায়তা দেবে তারা। এ ছাড়া সবচেয়ে বড়ো কথা বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ঢাকার পাশে থাকবে বেইজিং-এমন আশ্বাসও মিলেছে। এমনসব প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কারিসমা ও বিশ্বের দরবারে যে তা অনেক শক্তিশালি অবস্থানে রয়েছে তেমনটিরও জানান দিচ্ছে বলে কারো কারো অভিমত। এতে করে স্পস্ট হয়ে যাচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের ব্যাপারে ভারতের মোদী সরকারের পক্ষ থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি প্রভাব বিস্তারও অনেকটা যে কঠিন হয়ে পড়ছে বলেই কূটনৈতিক মহল মনে করেন। এসব দিক বিবেচনা করলে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস থেকে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি’র পক্ষে সহজেই কিছু আদায় করে নেয়া বা শক্ত অবস্থান নেয়া হয়তোবা অনেকক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়বে বলেই বিশ্লেষকরা মনে করেন।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০