লেখক: জাহিদ হাসান আবেদ।

মায়া শব্দটাতে আমরা কম বেশ সবাই জড়াই।মা বাবা সন্তানের জন্য মায়া, আবার সন্তানরা বাবা মায়ের জন্য মায়া।প্রিয় মানুষ গুলো তাদের প্রিয় জনদের জন্য মায়া।কেউ অর্থের মায়ায় জড়ায়, কেউ স্বার্থের কেউবা নিঃস্বার্থের।এ রকম হাজারো মায়া।তবে এর বাহিরে একটা মায়া আছে।যে মায়াটা হলো লোক দেখানো মায়া।

ভয়ে এখন ভক্তি দেখি
শ্রদ্ধার বড়ো অভাব,
লোক দেখানো সমাজসেবা
মায়াকান্না স্বভাব।

লোকজনের সামনে এলে মায়া কান্না,লোকজনের আড়াল হলে শুরু হয় মায়ার বিপরীত হিংস্রতা।যা এই করানোকালীন সময়ে মানুষ জন একটু বেশি উপলব্ধি করেছে।গোটা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে,চিনিয়ে দিয়েছে কে আপনজন আর কে আপনজনের নামে বিজ্ঞাপন।আপনজনের নামে যারা বিজ্ঞাপন, তারা শুধু নিজেদের প্রচারেই ব্যস্ত।এরা নিজের গুন নিজেরাই প্রচার করে বেড়ায়।এরাই সাম্যের গান গেয়ে গোটা সমাজে বৈষম্য তৈরি করে।করোনা কালীন সময়ে এদের মুখোশ খুব সুন্দরভাবে উন্মোচিত হয়েছে।গোটা বিশ্বের মত এশীয় অঞ্চলের এ ব- দ্বীপটাতেও করোনার প্রভাব পড়েছে।সবুজে ঘেরা প্রকৃতিটা স্তব্দ হয়ে গিয়েছিল।শত কোলাহলের জায়গায় ও নেমে এসেছিলো সুনশান নীরবতা।এ যেন এক অচেনা ব-দ্বীপ।সামাজিক দূরত্বের নামে অনেক দূরত্বে চলে গেছে অনেকে।নিজের আখের গুছিয়ে কেউ কেউ লাপাত্তা।উচ্চবিত্ত,মধ্যবিত্ত, নিন্মবৃত্ত সবাই যার যার বিত্তের মধ্যেই ছিলো।কিছু উচ্চবিত্ত সামাজিক দূরত্বের নামে আখের গুছিয়ে আরো দূরত্বে চলে গেছে।নিন্মবৃত্ত নিজের বৃত্তটুকু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে আরো বেশি হাত পেতেছে।আর মধ্যবিত্ত গুলো নীরব কান্নায় বৃত্ত ভরাট করেছে।তবে এ কান্না যেন দেখার কেউ নেই।