ওয়ারেন সিটির কালচারাল কমিশনে সীমা

সাহেল আহমদঃ মিশিগানের হ্যামট্রামেক এবং ডেট্রয়েট সিটির মতো ওয়ারেন সিটিতেও দ্রুত বেড়েছে বাংলাদেশী জনগোষ্ঠী। গত ৮ ডিসেম্বর একটি ভার্চুয়াল সভায় যোগ দিয়ে এই কথাটি বলেছিলেন, ওয়ারেন সিটির মেয়র জেমস ফাউটস।

একটা সিটির জন্য কমিশন কেন গুরুত্বপূর্ণ? আমাদের সম্প্রদায়ে এর ভূমিকা কী? আপনি কীভাবে সিটি বোর্ড এবং কমিশনে যোগ দিতে পারেন? এসব বিষয়ে আলোচনা করেন ফাউটস। এপিআইএ ভোট-এমআই এর আয়োজনে ভার্চুয়াল সভাটি পরিচালনা করেছিলেন এপিআইএ ভোট-এমআই-এর নির্বাহী পরিচালক রেবেকা ইসলাম।

সভায় মেয়র উল্লেখ করেন ওয়ারেন সিটিতে এশিয়ান ও বাংলাদেশী জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। মেয়র সিটি বোর্ড, কমিশন এবং একটি সম্প্রদায়ে এর ভূমিকা সম্পর্কে কথা বলেছেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে ওয়ারেন সিটিতে কীভাবে নাগরিকরা জড়িত হয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সিটি তৈরিতে অবদান রাখতে পারেন। এপিআইএ ভোট-এমআই-এর নির্বাহী পরিচালক রেবেকা ইসলাম জানান, সভাটি ভালভাবে পরিচালিত হয়েছিল এবং মেয়র বলেছেন যে তাঁর কার্যালয় সিটির বোর্ড এবং কমিশনগুলিতে এশিয়ান সম্প্রদায় আরও যোগ করার অপেক্ষায় রয়েছে।

ইতিমধ্যে ওয়ারেন সিটির বাংলাদেশী কমিউনিটির অনেক সদস্য কমিশনে যোগদানের জন্য আবেদন করা শুরু করেছেন। আবেদনকারীদের অনেকের মধ্যে কালচারাল কমিশনে নিয়োগ পাওয়া সীমা বেগম দীপা ও রয়েছেন। গতকাল সীমা একটি ভিডিও পোস্ট করে বিভিন্নভাবে সাহায্য করার জন্য এপিআইএ ভোট-এমআই-এর নির্বাহী পরিচালক রেবেকা ইসলামকে ধন্যবাদ জানান। সেই সাথে কমিশনে উৎসাহিত করার জন্য ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি এবং সেলিনা খানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ওয়ারেন সিটির পক্ষ থেকে যে গুরু দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তার জন্য মেয়র জেমস ফাউটসের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন সীমা।