বাংলা উৎসবে জড়িত সবাইকে ধন্যবাদ জানালেন মৃদুল সরকার

মিশিগান প্রতিদিন ডেস্কঃ একটি বড়, সুন্দর ও সার্থক অনুষ্ঠানকে সফল করতে তার পিছনের মানুষগুলার ঘুম হারাম হয়ে যায় রাতের পর রাত, নিভৃতে থাকে অনেক মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম। এই মেগা ইভেন্টটি সফল করে তুলতে এর পিছনের কিছু মানুষের কথা না বললেই নয় বললেন মৃধা বেঙ্গলি কালচারাল সেন্টারের চীফ কোর্ডিনেটর ও মিশিগান প্রতিদিনের সাহিত্য সম্পাদক মৃদুল কান্তি সরকার।

তিনি বলেন, প্রথমেই ধন্যবাদ দিতে চাই মৃধা বেঙ্গলি কালচারাল সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ দেবাশীষ মৃধাকে, যিনি শুধু প্রতিষ্ঠা করেই থেমে থাকেননি বরং নিজেও অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন সবার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।

তারপর যাকে ধন্যবাদ দিতে চাই তিনিই আসলে এই অনুষ্ঠান সফল করার পিছনে সবচেয়ে বড় কারিগর, বলতে গেলে উনার একাগ্রতা এবং অমানুষিক পরিশ্রমের কারনেই এ অনুষ্ঠান সফলতার মূখ দেখেছে, যিনি রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে কাজ করে গেছেন একাগ্র চিত্তে। তিনি মৃধা বেঙ্গলি কালচারাল সেন্টারের অন্য প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ দেবাশীষ মৃধার সহধর্মিনী চিনু মৃধা।

ধন্যবাদ দিতে চাই শারমিন তানিম – মেলা কোর্ডিনেটর, জাহেদ জিয়া – ম্যাথ কোর্ডিনেটর, অমিতা, স্নেহা, সামান্তা – চিত্রাংকন কোর্ডিনেটর গৌরব – ঘুড়ি, সাউন্ড সিস্টেম কোর্ডিনেটর এবং রাভিতা উনাকে – চিত্রাংকন ও ম্যাথ অলিম্পিয়াড সহযোগিতা করার জন্য।

ধন্যবাদ জানাই চিনু মৃধা, মৌসুমী দত্ত, সুপর্না চৌধুরী, সৌরভ চৌধুরীকে সুন্দর ভাবে সঞ্চালনা করার জন্য। তারপর ধন্যবাদ দিতে চাই মৃধা বেঙ্গলি কালচারাল সেন্টারের পরিচালনা পরিষদের সদস্য রসি এ মির, আকরাম হোসেন, আজমল হোসেন, আয়েশা চৌধুরী, জাহেদ জিয়া, চিন্ময় আচার্য, রাজর্ষি চৌধুরী গৌরব কে তাদের প্রতি অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য।

ধন্যবাদ দিতে চাই বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব কমলেন্দু পাল, রতন হাওলাদার, অপু চক্রবর্তী, সৌরভ চৌধুরী, হীরালাল কপালী, সৌরভ সরকার, অজিত দাস যাদের সহযোগিতা ছিল উল্লেখ করার মত। বিশেষ করে সেট আপ ও ক্লিন আপে সহযোগিতার জন্য।

মিডিয়া কভারেজের জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানাই মিশিগানের সকল সাংবাদিক ভাই-বোনদের। যারা অনেক ত্যাগ স্বীকার করে আমাদের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।

ধন্যবাদ দিতে চাই সুপ্রভাত মিশিগানের সম্পাদক চিন্ম্যয় আচার্য দাদা কে উনি সকাল থেকে শুরু করে পরিশ্রম করে গেছেন শেষ পর্যন্ত। ধন্যবাদ দিতে চাই অলক চৌধুরীকে যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন আমাদের ডেকোরেশন করার জন্য।

ধন্যবাদ দিতে চাই যিনি পর্দার আড়াল থেকে আমাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অকৃত্রিমভাবে, তিনি আমাদের সবার প্রিয় আপা মিশিগান প্রতিদিনের সম্পাদক ফারজানা চৌধুরী পাপড়ি।

ধন্যবাদ দিতে চাই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যারা নাচ, গান এবং কবিতা আবৃত্তি তে অংশগ্রহন করেছেন, যারা বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন। তারপর ধন্যবাদ দিতে চাই নুর চিশতিকে যিনি আমাদের গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফির গুরু দায়িত্বটি পালন করেছেন অত্যন্ত সুচারুভাবে।

ধন্যবাদ দিতে চাই মেলায় আগত সব ভেন্ডারদের, যাদের আগমনে পরিপূর্নতা পেয়েছিল বাংলা উৎসব। ধন্যবাদ দিতে চাই সেই সব অভিভাবকদের যারা তাদের সন্তানদের নিয়ে এসেছিলেন চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ম্যাথ অলিম্পিয়াড ও ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতায়।

আর সবচেয়ে বেশি ধন্যবাদ দিতে চাই তাদেরকে যাদের জন্য ছিল আমাদের এ আয়োজন, যাদের আগমনেই পরিপূর্নতা পেয়েছিল আমাদের উৎসব সেইসব দর্শনার্থী এবং অতিথিদের।