
৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (এমসিকিউ টাইপ) আগামী ৩০ জানুয়ারি (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের কানে কোনো ধরনের আবরণ রাখা যাবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তবে কারও হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরিনের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমন নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে বই-পুস্তক, সব ধরনের ঘড়ি, মোবাইল ফোন, সায়েন্টিফিক বা প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডসদৃশ যেকোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট, ব্যাগ ও মানিব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে থাকলে কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরীক্ষা হলের গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে মোবাইল ফোন, ঘড়ি ও অন্যান্য নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস তল্লাশির পর পরীক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করতে হবে।একই সঙ্গে পরীক্ষাকালীন সময়ে কানের ওপর কোনো আবরণ রাখা যাবে না এবং কান খোলা রাখতে হবে। তবে, কেউ যদি হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন মনে করেন, সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ পূর্বাহ্ণে কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।
পরীক্ষার্থীদের সতর্ক করে আরও বলা হয়েছে, হলে কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪ ভঙ্গের দায়ে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক গৃহীত সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ওই পরীক্ষার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
এ ছাড়া, সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩-এর ১০, ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ ধারার আওতায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে বা তাতে সহায়তা করলে সংশ্লিষ্ট ধারায় বর্ণিত দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, যেকোনো ধরনের তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
পৃথক আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সব পরীক্ষার্থীকে হলে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর হলের সব গেট ও ফটক বন্ধ করে দেওয়া হবে।