শ্বশুরবাড়িতে এসে ‘সিলেটি’ শিখছেন জামাই মঈন আলী

মিশিগান প্রতিদিন ডেস্কঃ ইংল্যান্ডের পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার মঈন আলী। বিয়ে করেছেন বাংলাদেশের সিলেটি কন্যা ফিরোজা হোসেনকে। এর আগে বাংলাদেশ এসে খেললেও কখনো সিলেটে আসা হয়নি তার। এবারই প্রথম আসলেন শ্বশুরবাড়ি এলাকায়। এসে খুবই খুশি মঈন।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মঈন আলী। তিনি বাংলাদেশকেও নিজের আরেকটা বাড়ি মনে করেন। মঈন বলেন, ‘বাংলাদেশ আমার বাড়ি, পাকিস্তান আমার বাড়ি, ইংল্যান্ডও আমার বাড়ি। আমি সিলেটে প্রথমবার। তারা আমাকে সবসময় আসতে বললেও আমার আসা হয় না। আমি এখানে এসে খুব খুশি।’ স্ত্রীর কাছ থেকে সিলেটি ভাষাও রপ্ত করেছেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার। শিখতে চান আরো।

সিলেটি পরিবারে বিয়ে যেহেতু করেছেন, সিলেটি ভাষাও নিশ্চয়ই শুনতে হয় মাঝেমধ্যে। তবে এবার সিলেটে এসে সেই ভাষা শুনছেন অনেক বেশি। তাতে তাঁর নিজেরও আরেকটু ভালো করে সিলেটি শেখার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শ্বশুরবাড়ির লোকদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে তাতে আরেকটু সুবিধা হবে বৈকি!

মঈন বলেন, ‘আমি কিছু সিলেটি ভাষা পারি। তবে আমি আরো শিখতে চাই। আমি আরো শিখতে চেষ্টা করবো কারণ হোটেলে যারা আছে তারাও সিলেটি ভাষায় কথা বলে।’ তবে শ্বশুরবাড়ি এলাকায় এসেও জামাই দাওয়াত খেয়ে যেতে পারছেন না মঈন। জৈব সুরক্ষা বলয়ের ভেতরেই থাকতে হচ্ছে তাকে। এ নিয়ে খানিকটা আক্ষেপও ঝরলো তার কণ্ঠে, ‘এবার সিলেটে এসে ভালো লাগছে। এটি দুঃখজনক যে (জৈব সুরক্ষা বলয়ের কারণে) বাইরে কোথাও যেতে পারবো না। তবে এখানে এসে খুব আনন্দিত আমি। কারণ আমার পরিবার এখানের।

শুধু পারিবারিক সম্পর্কের কারণে নয়, মঈনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কটা অবশ্য অনেক পুরোনো। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশে খেলতে। এরপর ২০১০ সালে মোহামেডান ক্লাবে সাকিব-তামিমদের সতীর্থ হিসেবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন। ২০১৩ সালে বিপিএলে খেলেছেন দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে। ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফর করেছেন ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী এই অলরাউন্ডার।