সোমবার, ৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক চাইলেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট
ক্রিকেটকে বিদায় বললেন শফিউল
পূর্বাচলে পুলিশের মেগা প্রজেক্টের পরিকল্পনা, সৃষ্টি হচ্ছে ৬ হাজার পদ
নেত্রকোনায় ২৩০ বছরের প্রাচীন তিন গম্বুজ মসজিদ
সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান
সেন্টমাটিনে নৌবাহিনীর অভিযান, ১০ দালালসহ ২৭৩ ভিকটিম উদ্ধার
তারেক রহমান দু’এক দিনের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান পদে আসছেন: মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ না গেলে কী হবে? আইসিসির সামনে কঠিন তিন পথ
এবার মেক্সিকো কলম্বিয়া ও কিউবাকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ভেনেজুয়েলার নেতৃত্বে মাচাদোকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে: ট্রাম্প

অস্ট্রেলিয়ায় করোনা সংক্রমণের নতুন রেকর্ড

অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম প্রধান শহর সিডনিতে বেড়েই চলছে করোনাভাইরাস মহামারির সংক্রমণ।গত মঙ্গলবার করোনা সংক্রমণের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় শহরটিতে প্রথমবারের মতো এক হাজারের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের এই শহরে এক দিনে প্রথমবারের মতো এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।অপর দিকে প্রতিবেশি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের মেলবোর্ন শহরে একই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ জন।গত জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে নতুনভাবে সিডনিতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে।এখন পর্যন্ত সেখানে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। শহরটিতে সংক্রমণ রোধে লকডাউন ঘোষণা করা হয়।জারি করা হয় চলাচলে বিধিনিষেধ।দুই মাসের বেশি সময় ধরেই বাসা থেকে না বের হওয়ার নির্দেশনার আওতায় রয়েছে সিডনি।লকডাউনে আটকা পড়ে আছে অস্ট্রেলিয়ার অন্য অঞ্চলের লোকজনও।দেশটিতে এই মুহূর্তে ২ কোটি ৫০ লাখের বেশি মানুষ লকডাউনের আওতায় রয়েছে।এদিকে এমন সময় রেকর্ড পরিমাণ করোনা রোগী শনাক্ত করা হলো, যখন নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার গ্লাডিস বেরেজিকলিয়া রাজ্যটিতে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।তিনি জানান, আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে।তখন থেকে টিকা নেয়া সর্বোচ্চ পাঁচজন ঘরের বাইরে একত্র হতে পারবেন। নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রায় ৮০ লাখ বাসিন্দাকে এর মধ্যেই ৬০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।করোনা শনাক্তের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৮ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে প্রায় এক হাজার মানুষের।উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে করোনার টিকাদানে বেশ পিছিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া।তবে সরবরাহ বাড়ায় গত কয়েক সপ্তাহে এ কার্যক্রম গতি পায়।দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনার টিকা পেয়েছেন এক-তৃতীয়াংশ প্রাপ্তবয়স্ক।

শেয়ার করুনঃ